বিজেপিতে যোগ দিলেন কোচবিহার পৌরসভার পৌর প্রশাসক ভূষণ সিং
দি নিউজ লায়ন; নন্দীগ্রামে বিপুল ভোটে হার নিশ্চিত। শুভেন্দু শনিবার গিয়েছিলেন কোচবিহারে বাজার গরম করতে। কিন্তু সেখানেও মুখ পুড়ল। দেশলাইয়ের খোলের মত মাঠ ও ভরল না। বিরক্ত শুভেন্দু মিনিট কুড়ি নিয়মরক্ষার বক্তব্য রেখেই পালালেন। মজা করে অনেকে বলছেন নন্দীগ্রামে যে শুভেন্দু হারছেন তা বিলক্ষণ বুঝে গিয়েছেন কোচবিহারের বিজেপি নেতা কর্মীরা। হেরো নেতার বক্তৃতা শুনতে দুপুর রোদে কেউ আর আসেনি। সেটাই তো স্বাভাবিক।
মাথাভাঙার নিশিগঞ্জ সংলগ্ন সিখতেওয়ারি প্রাইমারি স্কুলের মাঠে বিজেপি প্রার্থী সুশীল বর্মন এর সমর্থনে জনসভার আয়োজন হয়েছিল। মুখ্য বক্তা ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সকাল 11 টায় সভা হওয়ার কথা থাকলেও সেই সভা শুরু হতে হতে দুপুর 1 টা পেরিয়ে যায়। তবুও ভরেনি শুভেন্দুর সভা। মনোক্ষুন্ন শুভেন্দু কুড়ি মিনিটের মধ্যেই মঞ্চ ছেড়ে চলে গেলেন। কর্মীরা হতাশ হলেও তার এই আচরণে। কর্মীদের অধিকাংশ-ই মাঠে এসেছিলেন সকাল ন'টায়।
তারপরে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা। এদিন মঞ্চে এসেও খুব জুতসই বক্তব্য দিতে পারলেন না শুভেন্দু। বারবার বলে যাচ্ছিলেন কোচবিহারের প্রাণপুরুষ দের নাম। বির চিলারায় কে চিররায় বলেও সম্বোধন করে ফেললেন তিনি। মনীষী ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা কে বর্মন বললেন। কথা বললেন এনআরসি নিয়ে। অনুপ্রবেশকারীরা বেশির ভাগ মুসলিম এমনটাই দাবি করেছেন তিনি। মাত্র কুড়ি মিনিট উড়ে চলে গেলেন শুভেন্দু।একইসাথে দিনহাটার সভা ছিল নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে।
মুখ্যমন্ত্রী কোচবিহার শহরের 24 ঘন্টা পেরোতে না পেরোতেই সেই সভা মঞ্চ থেকে বিজেপিতে যোগদান করেন কোচবিহার পৌরসভার পৌর প্রশাসক ভূষণ সিং। তৃণমূল জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় বলেন, দীর্ঘদিন থেকেই যাব যাব করছিলো আমরা অনেক আগে থেকেই জানতাম উনি চলে যাবেন। যা হওয়ার কথা ছিল তাই হয়েছে। এই বিষয়ে ভূষণ সিং বলেন, যে দলে আত্মমর্যাদা বলিদান দিয়ে কাজ করতে হয় সেই দল না করাই ভালো। বাচ্চা ছেলের কাছ থেকে রাজনীতি শিখতে হবে, এটাও সম্ভব।

Post a Comment